প্রতীকী ছবি

“উপরের মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে কী ঘটত, যদি রাষ্ট্রব্যবস্থায় শরীয়াহ আইন থাকত?

শরীয়া আইন হয় গভীর রজনীতে কথিত সমকামী আলেমদের, যারা নাবালক শিশুদের পায়ুপথে যৌন সঙ্গমের পর যাতে অপরাধীকে মাদ্রাসা থেকে নিভৃতে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যায়। শাস্তি হিসেবে হয়তো কিছুটা তিরস্কার।

কারণ কোরআনুল কারিমে আছে, দুইজন নারী-পুরুষ স্বেচ্ছায় ব্যভিচারে লিপ্ত হলে একশ করে বেত্রাঘাত এবং পাথর নিক্ষেপ করতে করতে মেরে ফেলা। কিন্তু একজন জোর করে যৌন সঙ্গম করলে কী হবে, তা বলা নেই। এবং বলাৎকার করলে শাস্তির বিধান কী হবে, কোরআন ও হাদিসে তা স্পষ্ট করে বলা নেই। এমন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রে শরীয়া আইন থাকলে, যে হুজুররা নাবালক ছেলেদের সাথে পায়ুপথে যৌন সঙ্গমের উত্তেজনা বোধ করেন, এমন কিছুতে ছাড় পাওয়াটা সহজসাধ্য।

সেকারণে এমন অপরাধকে বয়সের দোষ, শয়তানের ওয়াসওয়াসা বা শয়তানের ধোঁকায় পড়া হিসেবে এই ধর্মান্ধ বিশাল জনগোষ্ঠীকে দেখানো যেতে পারে।

যদিও লাওয়াত (সমকামী যৌন সম্পর্ক)—পুরুষে-পুরুষে যৌনকর্মকে জঘন্যতম কাজ বলা হয়েছে। নবী মুহাম্মদ সমকামী ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন।

তো কে করবে শরীয়া আইনের বাস্তবায়ন? বলাৎকারে অভ্যস্ত বর্তমান যুগের এ তথাকথিত হুজুর, ওলামা মাশায়েখ কিংবা আলেম সমাজ?”