“শরীয়া আইন চাই, শরীয়া আইন চাই!
৯১% মুসলমানের দেশে ভিন্ন মত, ভিন্ন ধর্মের মানুষেরও বসবাস বংশপরম্পরায়। ইসলাম যদি অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়, সেক্ষেত্রে শরীয়াহ আইন অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া কতটা যৌক্তিক?
কিন্তু শরীয়া আইন, খেলাফত, ইসলামী কোরআনের শাসনব্যবস্থা—এমন দাবি-দাওয়াগুলো আসছে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী থেকে। ইসলাম ধর্মভিত্তিক এ গোষ্ঠীগুলো চরমপন্থী, উগ্রবাদী এবং জঙ্গিবাদী কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত। এদের মধ্যে অন্যতম জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিশের মতো রাজনৈতিক ছাত্রছায়ায় থাকা দলগুলো।
২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর আকস্মিক উত্থান ঘটে। এ বছরের ১২ই ডিসেম্বরের তথাকথিত নির্বাচনে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক জামায়াতে ইসলামী এবং খেলাফতে মজলিশের মতো চরমপন্থীরা জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রক্ষমতার প্যারালালে অবস্থান নেয়।
রাষ্ট্রব্যবস্থায় শরীয়াহ আইনের বিষয়টি এরপর থেকেই বেশ আলোচনায়। কিন্তু কেন?
একটু পেছনে ফেরা যাক। গত ২০ মে রাজধানী ঢাকার বনশ্রীতে আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসায় মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উক্ত ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে একই মাদ্রাসার আরেক শিক্ষার্থী শিহাবকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর পায়ুপথে ছিল জখমের চিহ্ন।
এবার আসা যাক, যৌন লালসাগ্রস্ত এমন একদল ধর্মান্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠী কেন শরীয়া আইন চাচ্ছে বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের একটি গণতান্ত্রিক দেশে?”

